কোয়ান্টামের চাপ সামলাও: Public Lecture on Quantum Mechanics

[av_textblock size=” font_color=” color=”]
“তুমি যদি ভাবো কোয়ান্টাম তত্ত্ব বুঝে ফেলেছো, তাহলে তুমি আসলে কিছুই বোঝো নি”, “এই তত্ত্ব দুর্বোধ্য”, “ইউ আর নট অ্যালাউড টু আস্ক দ্যাট কোয়েশ্চেন”, “কিছু ঘটনা কোনো কারণ আর ব্যাখ্যা ছাড়াই ঘটে”।

কথাগুলো কি পরিচিত ঠেকছে? হ্যাঁ, কোয়ান্টাম মেকানিক্স নিয়ে কথা উঠলেই টেক্সটবুক আর তথাকথিত কিছু জনপ্রিয় বিজ্ঞানের উদাহরণ টেনে বারবার এই কথাগুলোই আওড়ানো হয়।

যেহেতু পারমাণবিক আচরণ আমাদের চেনা জগতের কোনো অভিজ্ঞতার সাথেই মেলে না, তাই কারো পক্ষে এর ধারণাতে অভ্যস্ত হওয়া খুবই কষ্টকর, তা সে নবীন শিক্ষার্থীই হোক বা অভিজ্ঞ কোনো পদার্থবিজ্ঞানী।

তবে যা-ই হোক, এই রহস্যময় কোয়ান্টাম বিজ্ঞানের বিস্তৃতি কিন্তু এখন শুধু কাঠখোট্টা পদার্থবিজ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। কোয়ান্টাম কেমিস্ট্রি আর কোয়ান্টাম বায়োলজির বিশাল বিশাল ক্ষেত্র তো বটেই, কোয়ান্টা আজ রাজত্ব করছে কম্পিউটিং-এর জগতেও।

এই পুরো ‘কোয়ান্টাম’ ধারণার উন্মেষ এবং বিস্তৃতি নিয়ে কথা বলতে আমাদের এবারের পাবলিক লেকচারে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আরশাদ মোমেন।

ইভেন্টের শিরোনামটা স্যারের দেয়া। নাম শুনে যেমনটা আশা করা যায়, পদার্থবিজ্ঞান-রসায়ন-জীববিজ্ঞান-কম্পিউটিং সব মিলিয়ে মজাদার একটা লেকচার উপহার পেতে যাচ্ছি আমরা।

সবার সাথে দেখা হচ্ছে আগামী ২৫শে ফেব্রুয়ারি, শনিবার, সকাল দশটায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোকাররম হোসেন ভবনের ফার্মেসি লেকচার থিয়েটারে।

সেমিনারটি সকলের জন্য উন্মুক্ত। তবে অংশগ্রহণ করতে চাইলে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন লিংকঃ https://goo.gl/forms/FFLmlGSr7YGtbWzD3

পুনশ্চঃ

শিরোনাম নিয়ে কিছু কথা

কোয়ান্টাম মেকানিক্স: চাপ সামলান!

যদি আপনি বিজ্ঞানের যেকোন শাখায় সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ফলাফল চান, আপনাকে অবশ্যই কোয়ান্টাম মেকানিক্সের দ্বারস্থ হতে হবে।

যদি চান আপনার কম্পিউটারটি কাজ করুক সম্ভবপর সর্বোচ্চ গতিতে, আপনার ইচ্ছা পূরণ করতে পারে একমাত্র কোয়ান্টাম মেকানিক্স। গবেষকরা কাজ করছেন কোয়ান্টাম কম্পিউটিং নিয়ে; শীঘ্রই আপনার হাতে চলে আসছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার।

ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখা, ভয় পাওয়া, হাসা, কষ্ট পাওয়া, রাগ, অভিমান আর সকল মানবিক ও অমানবিক আচরণ আপনার মস্তিষ্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়; মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত সকল কর্মকান্ডের নিখুঁত ব্যখ্যা পেতে কাজ শুরু করেছেন কোয়ান্টাম বায়োলজিস্টরা।

কোয়ান্টাম বায়োলজি! দারুণ না?

জীববিজ্ঞানের ঘটনাসমূহের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য পদার্থবিজ্ঞানের প্রয়োগ এ দেশে জন্ম নেয়া বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুর হাত ধরে শুরু হয়েছিল বেশ আগে; সবার জানা।

শুধু প্রকৌশল বা জীববিজ্ঞান কেন? বিজ্ঞানের যেকোন শাখায় চূড়ান্ত ও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ফলাফলের জন্য কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রয়োগ অত্যাবশ্যক। কেননা মহাবিশ্বের সবকিছুই হয় পদার্থ না হয় শক্তি; আর এই পদার্থ ও শক্তি দুটোরই নিখুঁত ব্যাখ্যা তো কোয়ান্টাম মেকানিক্স ছাড়া আর কারো জানা নেই।

এবার চাপ সামলান!

Recorded Video- https://youtu.be/XJDOajpxwrE
[/av_textblock]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *