মানুষের জন্য বিজ্ঞান গবেষণা পুরস্কার ২০১৮ (স্নাতক পর্যায়)

মানবগোষ্ঠীর শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ বর্তমানে তৃতীয় বিশ্বে মানবেতর জীবন যাপন করছে। আধুনিক বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষের দিনেও তারা হাজার বছর পিছিয়ে আছে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সুফল থেকে তারা বঞ্চিত। বাংলাদেশের বিশাল গ্রামীণ জনগণও তাদেরই দলে। অথচ তারাই যুগ যুগ ধরে ত্যাগ স্বীকার করে আমাদের দেশের কিছু শিক্ষার্থীকে আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের শিক্ষা অর্জন করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে, যেন তারা অর্জিত এ জ্ঞান-বিজ্ঞান ব্যবহার করে দেশের সব জনগণকে নতুন উন্নত জীবনে নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু আমরা যারা এ সুযোগ ব্যবহার করে শিক্ষিত হয়েছি, জনগণের সে ত্যাগের বিনিময় দিতে পারি নি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে দেশের সাধারণ জনগণের জীবনের মান উন্নয়নে নিয়োজিত করা আমাদের শিক্ষিত জনগণের নৈতিক দায়িত্ব। এই বিষয়ের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে নতুন প্রজন্মকে মানুষের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বায়োমেডিকেল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইন্স সোসাইটি ও রেলেভেন্ট সাইন্স এন্ড টেকনোলজী সোসাইটির সম্মিলিত আয়োজনে এবং ইএমকে সেন্টারের সহযোগিতায় “মানুষের জন্য বিজ্ঞান গবেষণা পুরস্কার” প্রবর্তন করা হচ্ছে। এবারের মত স্নাতক পর্যায়ে, তবে ভবিষ্যতে প্রতি বছর এ পুরস্কারটি অন্যান্য পর্যায়েও প্রদান করা হবে।

RA18 Banner

কারা আয়োজন করছেন

১। সার্বিক সহায়তায়: এডওয়ার্ড এম কেনেডি (ইএমকে) সেন্টার
২। আয়োজনে:
ক) বায়োমেডিকেল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
খ) ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি
গ) রিলেভেন্ট সাইন্স এন্ড টেকনোলজী সোসাইটি, বাংলাদেশ
৩। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে: সঙ্গীত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৪। পণ্য উৎপাদনে সহায়ক প্রতিষ্ঠান: বাইবিট লিমিটেড
৫। গণমাধ্যম পার্টনার: 
ক) চ্যানেল আই টেলিভিশন
খ) বিজ্ঞান চিন্তা (মাসিক)
গ) রেডিও একাত্তর 98.4 FM
ঘ) সহযোগী: প্রথম আলো

অংশগ্রহণের নিয়মাবলী

১। পুরস্কারপ্রার্থী একজন বা কয়েকজনের (সর্বোচ্চ ৩ জন) সমন্বয়ে একটি দল হতে পারে, তবে কোন প্রতিষ্ঠান এতে অংশ গ্রহণ করতে পারবে না।

২। 

৩। পুরস্কারপ্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা (সেপ্টেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত):
ক) বাংলাদেশের যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে স্নাতক শ্রেণীতে অধ্যায়নরত।
খ) এইচএসসি পরবর্তী বাংলাদেশের যে কোন ডিপ্লোমা কোর্স বা সমতূল্য শ্রেণীতে অধ্যায়নরত।

৪। আগ্রহী পুরস্কারপ্রার্থীদেরকে ২৫শে জুলাই, ২০১৮ এর মধ্যে নিবন্ধনের জন্য www.science4mankind.net ওয়েবসাইটে দেয়া আবেদন ফর্মের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্যাদিসহ প্রস্তাবিত প্রজেক্টের শিরোনাম ও ৫০০ শব্দের মধ্যে সারসংক্ষেপ পাঠাতে হবে।

৫। কোন ব্যক্তি বা দলের সদস্যদের ডিগ্রী অর্জনের জন্য যে সব প্রজেক্ট করছেন তা এ পুরস্কারের জন্য গ্রহণযোগ্য হবে না। যার যার বিভাগের প্রধানের কাছ থেকে এ মর্মে একটি প্রত্যয়ণপত্র দাখিল করতে হবে, যে ‘প্রজেক্টটি কোন ডিগ্রীর উদ্দেশ্যে করা নয়’।

৬। কোন বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে award@science4mankind.net ঠিকানায় ইমেইলের মাধ্যমে জানাতে পারা যাবে।

প্রজেক্ট বাছাই ও বিচার

১। প্রস্তাবিত প্রজেক্টের বিষয়বস্তু পুরস্কারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ না হলে ২রা আগষ্ট, ২০১৮ এর মধ্যে জানিয়ে দেয়া হবে। বাদ দেয়া প্রজেক্টগুলো এ পুরস্কার কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করতে পারবে না। এ সিদ্ধান্তের জন্য বিচারকমন্ডলীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। কোন অনুরোধ গ্রহণ করা হবে না।

২। ২৭শে আগষ্ট, ২০১৮ এর মধ্যে প্রজেক্টের ফলাফল সহ একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। ডাটা, টেবিল, গ্রাফ, ছবি ছাড়া রিপোর্টের মূল লিখা ৩ পৃষ্ঠার মধ্যে সীমিত থাকতে হবে। এ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে একটি চূড়ান্ত বাছাই-তালিকা তৈরি করে ৩রা সেপ্টেম্বর, ২০১৮ তারিখের মধ্যে জানিয়ে দেয়া হবে এবং ১৫ই সেপ্টেম্বর তারিখে ঢাকায় একটি প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে।

৩। প্রতিবেদন কীভাবে লিখতে হবে তার উপর একটি লিখিত গাইড প্রাথমিক বাছাই-এর সময় পাঠিয়ে দেয়া হবে।

৪। ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ তারিখে কার্জন হল ভবনে সকাল ১০টা থেকে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। বিচারক মন্ডলী প্রদর্শন করা প্রজেক্ট ও তার উপস্থাপনা দেখবেন এবং সে ভিত্তিতে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা দেবেন।
৫। ঢাকার বাইরের প্রার্থীদের আসা-যাওয়া ও থাকার খরচ দেয়া হবে, তবে ঢাকায় বসবাসকারীদের জন্য তা দেয়া হবে না।

প্রজেক্টের বিষয়বস্তু সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা

দেশের সাধারণ জনগণ, বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনের মান উন্নয়নকে সামনে রেখে প্রজেক্ট বাছাই করতে হবে।
প্রজেক্টটি কোন পণ্য, বা কোন পণ্যের প্রস্তুতকরণ পদ্ধতি, বা জনগণ নিজেই বানিয়ে ব্যবহার করতে পারে এমন প্রযুক্তি নিয়ে হতে পারে। নিচে উল্লেখ করা প্রজেক্টগুলো উদাহরণ হিসেবে কেবল মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য উল্লেখ করা হয়েছে। মূল উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এর বাইরেও যে কোন প্রজেক্ট হতে পারে। দেশে ইতিমধ্যে তৈরি হচ্ছে এবং বাণিজ্যিকভাবে পাওয়া যায় এমন ধরণের পণ্য বা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উদ্ভাবিত প্রযুক্তিটি মানে বা দামে প্রচলিত পণ্যের তুলনায় যথেষ্ট সুবিধা দিতে পারলে গ্রহণযোগ্য হবে। তবে দেশে তৈরি হয় না, কিন্তু বিদেশ থেকে আমদানী করা হচ্ছে এমন প্রযুক্তি হলে উপরোক্ত শর্ত প্রযোজ্য হবে না। তবে দাম ও মানের তুলনীয় গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে।

১। সাধারণ জনগণ বিশেষ করে গ্রামীণ জনগণের দৈনন্দিন জীবনের মান উন্নয়নকারী: নিরাপদ বাতি (বিদ্যুৎ বা অন্য কোন উপায়ে); নিরাপদ পানীয় পানি – সাধারণ সময়ের বা দুর্যোগকালীন; উন্নত পয়ঃব্যবস্থা; পুষ্টিকর সুলভ খাবার; ঘরে খাবার দীর্ঘসময় ভাল রাখা; বাতাসের জন্য যান্ত্রিক পাখা; শরীর বা ঘর ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা; মশা-মাছি-ইঁদুর দূর করা; বন্যা, জলোচ্ছ্বাস বা প্রবল ঝড়ে মানুষ ও পোষা প্রাণীদের নিরাপদ রাখার ব্যবস্থা; ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য-পণ্য; স্বাস্থ্য সেবা – সাধারণ স্বাস্থ্য বা কোন বিশেষ রোগ এর জন্য রোগ নির্ণয় (চোখ, কান, রক্ত শর্করা, ম্যালেরিয়া, ইত্যাদি) বা থেরাপী যন্ত্র (বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত): গ্রামীণ অ্যাম্বুল্যান্স; তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি; ইত্যাদি।

২। গ্রামীণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সাহায্যকারী: কৃষি বা কৃষি নির্ভর শিল্পের উন্নয়নে যন্ত্রপাতি; কৃষিপণ্য বা গ্রামীণ শিল্প পণ্যের মান উন্নয়ন; পণ্যের মান পরিমাপ, ভেজাল নির্ণয়; ফলমূল/কৃষিজাত পণ্য-শস্য-মাছ-মাংস সংরক্ষণ; পণ্য ও যাত্রী পরিবহন; সুলভ শক্তি; সুলভ কাঁচামালের নতুন ব্যবহার ও প্রয়োগ; ইত্যাদি। উল্লিখিত বিষয় সমূহে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারও গ্রহণযোগ্য হবে।

৩। বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন ও গবেষণা: যে কোন প্রজেক্টে নতুনত্ব ও উদ্ভাবন যতটুকুই থাকুক না কেন, গবেষণার উপর বেশী জোর দেয়া হবে। যেমন কেউ যদি একটি পুষ্টিকর খাবার তৈরী করে, তবে তার পুষ্টির গুণাগুণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মাপা, এর উপাদানগুলোর প্রতিটির একটু কমবেশ করলে পুষ্টির কতটুকু পরিবর্তন হয়, সঙ্গে তার দামে কতটা বেশী বা কম হয় তার সংখ্যাভিত্তিক বিশ্লেষণ, ইত্যাদি করা হয়েছে কিনা দেখা হবে। বর্তমানে যা পাওয়া যায় তার থেকে কোন বিচারে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি বা পণ্যটি ভাল, বা দামে কম, বা সুলভ, এ সবের নিরীক্ষা করা হয়েছে কিনা দেখা হবে। তেমনি একটি নতুন যন্ত্র তৈরী করলে একই কাজ করতে পারে এবং বর্তমানে পাওয়া যায় সেরকম যন্ত্রের সাথে বিশদ তুলনা থাকতে হবে। যন্ত্রের কোন কোন অংশের বা কার্যকরণের সামান্য পরিবর্তন করলে তার গুণগত মানের, শক্তি ব্যবহারে দক্ষতার, এবং ব্যবহারকারীর সহজে ব্যবহার করার দিকগুলো কিভাবে পরিবর্তন হয় তার উপর গবেষণা থাকতে হবে, লিখিত পর্যবেক্ষণ ও ফলাফল সহ। যদিও আমরা নতুন বৈজ্ঞানিক অবিষ্কার এ পর্যায়ে তেমন আশা করছি না তবুও কারও এ ধরণের কোন মৌলিক আবিষ্কার যদি জনগণের জন্য অনেক সুবিধা বয়ে নিয়ে আসার সম্ভাবনা দেখাতে পারে তবে সে ধরণের আবিষ্কারকেও গুরুত্ব দেয়া হবে।
কেবল একটি ধারণা তুলে ধরা, বা ধারণার উপর ভিত্তি করে একটি যন্ত্রের কার্যকর মডেল গ্রহণযোগ্য হবে না। যন্ত্রটি যেন একটি পণ্যের আকারে নেয়া যায় সেদিকে বিশেষ যত্নবান হতে হবে। কিন্তু উপরে লিখা গবেষণা কাজ থাকতেই হবে।

৪। বাণিজ্যিক সম্ভাবনা: যদি কোন প্রজেক্টের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা থাকে তবে তা ভালভাবে বিশ্লেষণ করে দেখাতে হবে। অর্থাৎ, দেশে এ পণ্যের চাহিদা, মূল্য-কার্যকারিতা (Cost effectiveness), বাণিজ্যিক উপযোগিতা, ইত্যাদি যতটুকু সম্ভব বিশ্লেষণ করে দেখাতে হবে।

পুরস্কার

তিনটি স্তরে পুরস্কার দেয়া হবে:

ক) উত্তম
খ) মধ্যম
গ) সন্তোষজনক

একটি স্তরে একাধিক প্রজেক্টকে পুরস্কার দেয়া যেতে পারে। আবার মান সন্তোষজনক না হলে কোন স্তরের পুরস্কার নাও দেয়া হতে পারে।
পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রজেক্টগুলোর মধ্যে স্বল্প সময়ে বাস্তবায়নযোগ্য কিছু প্রজেক্টের বাস্তবায়নের জন্য পরবর্তীতে মেনটরিং সহায়তা দেয়া হবে এবং অর্থ সাহায্যের জন্য যথাযথ দাতাগোষ্ঠীর সাথে সংযোগ স্থাপন করে দেয়া হবে। অথবা প্রযুক্তি-নির্ভর পণ্য বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন ও বিপণনের ক্ষমতা রাখেন এমন কোন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে দেয়ার চেষ্টা করা হবে।

বিচারের ভিত্তি

পুরস্কারের জন্য প্রজেক্টের যে সব বিষয় দেখা হবে:

চূড়ান্ত অনুষ্ঠান

১। ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ তারিখে কার্জন হল ভবনে সকাল ১০টা থেকে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম অংশে বিচারকাজ চলবে। বিচারকাজ শেষ হবার পর প্রদর্শনীটি জনগণের জন্য খুলে দেয়া হবে।
২। প্রদর্শনীতে বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে।
৩। ঐ দিনই বিকেলে কার্জন হল প্রাঙ্গণে একটি অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।
৪। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শেষ করা হবে।

ভবিষ্যৎ সহায়তা

কোন প্রজেক্টের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা থাকলে এবং প্রজেক্ট পরিচালকদের মধ্যে উদ্যোক্তা হবার যোগ্যতা থাকলে ইএমকে সেন্টার থেকে পরবর্তীতে এ জন্য মেনটরিং সহায়তা দেয়া হবে এবং অর্থ সাহায্যের জন্য যথাযথ দাতাগোষ্ঠীর সাথে সংযোগ স্থাপন করে দেয়া হবে। তবে প্রজেক্ট পরিচালকদের মধ্যে উদ্যোক্তা হবার যোগ্যতা না থাকলে এ ধরণের প্রযুক্তি-নির্ভর পণ্য বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন ও বিপণনের ক্ষমতা রাখেন এমন কোন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে দেয়ার চেষ্টা করা হবে।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ

১। ২৫ জুলাই, ২০১৮: প্রজেক্টের শিরোনাম ও সারসংক্ষেপসহ আবেদন, www.science4mankind.net – ওয়েবসাইটে দেয়া Google Form এর মাধ্যমে।
২। ২ আগস্ট, ২০১৮: প্রজেক্ট গ্রহণযোগ্য হল কিনা তা সব আবেদনকারীকে জানানো।
৩। ২৭ আগস্ট, ২০১৮: প্রজেক্টের উপর লিখিত বিশদ রিপোর্ট (বৈজ্ঞানিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক) জমা।
৪। ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮: ঢাকায় চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীতে অংশ নেয়ার জন্য বাছাই করা প্রজেক্ট পরিচালকদের জানানো।
৫। ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮: ঢাকায় কার্জন হল ভবনে ও প্রাঙ্গণে চূড়ান্ত বিচার, প্রদর্শনী, পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

নিয়মিত আপডেট পেতে ভিজিট করুন: 

  1. http://science4mankind.net/
  2. Dhaka University Science Society
  3. Science For Mankind
  4. EMKCenter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *