Press Release

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

দেশীয় গবেষণা ও গবেষণায় ক্যারিয়ার উৎসব এবং বিজ্ঞানক্লাব মতবিনিময় সভা ২০১৮

আগামী ৫ মে ২০১৮, শনিবার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে আয়োজিত হচ্ছে ‘দেশীয় গবেষণা ও গবেষণায় ক্যারিয়ার উৎসব ২০১৮’। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করছে ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি (ডিইউএসএস) এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর

তরুণ শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান গবেষণায় আগ্রহী করে তোলার উদ্দেশ্যে ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি (ডিইউএসএস) ববাবরই বিভিন্ন ধরণের অনুষ্ঠান আয়োজন করে আসছে। আমাদের দেশে অনেক গবেষণা প্রতিষ্ঠান থাকলেও তরুণ শিক্ষার্থীদের অনেকেই এসব প্রতিষ্ঠানের গবেষণার ক্ষেত্র এবং সেখানে গবেষণার সুযোগ ও গবেষণায় ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত নয়। তাই বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের এসকল গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে পরিচিত করার এবং সেখানে গবেষণা ও ক্যারিয়ার তৈরির সুযোগ সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ডিইউএসএস এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর যৌথভাবে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করছে।  দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা নিজ নিজ বুথে উপস্থিত থাকবেন অনুষ্ঠানের পুরো সময় জুড়ে।  যেসকল প্রতিষ্ঠান এ আয়োজনে অংশগ্রহন করছে সেগুলো হলো – বাংলাদেশ ন্যাশনাল সায়েন্টিফিক এন্ড টেকনিক্যাল ডকুমেন্টেশন সেন্টার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; টেলিমেডিসিন প্রোগ্রাম, বায়োমেডিক্যাল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগ, ঢাবি; বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট ফর বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড এপ্রোপ্রিয়েট টেকনোলজি; বাংলাদেশ কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ (বিসিএসআইআর); বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন; ইন্সটিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স এন্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস; রেলেভেন্ট সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি সোসাইটি; বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি; রেড গ্রইন রিসার্চ সেন্টার এবং আইসিডিডিআর,বি।

উক্ত অনুষ্ঠানে আমাদের দেশের গবেষণার পরিস্থিতি, গবেষণার বিভিন্ন ক্ষেত্র এবং সম্ভাবনা নিয়ে একটি আলোচনাসভা আয়োজন করা হবে যেখানে বক্তা হিসেবে থাকবেন দেশের স্বনামধন্য গবেষক  ড. সিদ্দিক-ই-রব্বানী, অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বিজ্ঞান ক্লাব মতবিনিময় সভায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান ক্লাবের আমন্ত্রিত প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এ আয়োজনের উদ্দেশ্য দেশের স্কুল-কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিজ্ঞান চর্চার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরিতে একটি পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সৃষ্টি করা। সভাটি পরিচালনায় থাকবেন দেশের জনপ্রিয় বিজ্ঞান ব্যক্তিত্ব ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি ও দর্শকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে টেলিস্কোপে আকাশ পর্যবেক্ষণ এবং বিজ্ঞানের নানা মজাদার ঘটনার প্রদর্শনী।

উৎসবের মূল কার্যক্রম শুরু হবে বেলা ৩:০০ টায় এবং সমাপনী অনুষ্ঠানটি হবে সন্ধ্যা ৬:৪৫ টায়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স সোসাইটির সভাপতি পরিতোষ রায়, সাধারণ সম্পাদক নাফিসা রায়হানা, এই অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী রাইসা নাসের, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুত রহমান নাহিদএবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের কিউরেটর সুকল্যান বাছার।

উল্লেখ্য, ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত একটি বিজ্ঞান সংগঠন। সংগঠনটির নিয়মিত কার্যক্রমগুলোর মধ্যে রয়েছে পাক্ষিক পাঠচক্র, রিসার্চ সেমিনার, পাবলিক লেকচার, ওয়ার্কশপ, সায়েন্স ফেস্টিভাল, প্রকৃতি পাঠ ইত্যাদি আয়োজন করে। “ধ্রুবক” নামক বিজ্ঞান ম্যাগাজিন সংগঠনটির ষাণ্মাসিক প্রকাশনা। ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি বিশ্বাস করে, বিজ্ঞানই একটি প্রগতিশীল সমাজের চাবিকাঠি। তাই সংগঠনটি সমাজকে বিজ্ঞানে আরো উৎসাহী করে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।

তারিখঃ ০৬/০৪/২০১৮

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

Seminar: Thalassemia Can be Prevented

থ্যালাসেমিয়া এই একুবিংশ শতাব্দীর অন্যতম আলোচিত এক ব্যাধি। এটি এমন এক নীরব ব্যাধি যার দরুণ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থ্যালাসেমিয়ায় মৃত্যু হারের বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। থ্যালাসেমিয়া জন্মগত মারাত্মক এক জিনগত রোগের নাম। এই রোগের ব্যাপারে সর্বসাধারণের মাঝে সতর্কতা গড়ে তুলতে ৫ই এপ্রিল, ২০১৮, বেলা ৩:০০ টায় মৃত্তিকা, পানি এবং পরিবেশ বিভাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স সোসাইটি উক্ত সেমিনারটির আয়োজন করে। বক্তা হিসেবে ছিলেন ‘ইন্সটিটিউট ফর ডেভেলপিং সাইন্স অ্যাণ্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস’এর সম্মানিত সায়েন্টিফিক কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. সৈয়দ সালেহীন কাদরী। স্যারের এই সেমিনারটি ‘ideSHi’ এর থ্যালাসেমিয়া ক্যাম্পেইন এর একটি অংশ ছিলো।

বর্তমানে বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের অবস্থান, এই ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ ইত্যাদি বিষয়ে স্যার আমাদের অবগত করেন। প্রথমেই তিনি আমাদের জানান সাধারণ, বাহক ও আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে জিনগত কী ধরণের পার্থক্য থেকে থাকে, এবং আক্রান্ত ব্যাক্তিতে এই রোগ কীভাবে হ্রতপিণ্ড, যকৃত বিবিধ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে। আয়রন জড়িত এই সমস্যা নিরাময়ের অন্যতম একটি উপায় হচ্ছে ‘কিলেটিং থেরাপি’, তবে এটি অত্যন্ত ব্যায়বহুল

এবং নানা ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করে থাকে। অবশ্য এখন এই নীরব ঘাতকের দুই ধরণের চিকিৎসা করা যায়-

১। বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট- এর পেছনে সর্বোচ্চ খরচ ১০লাখ টাকা, অনেকের জন্য তা সমর্থনযোগ্য হলেও এটি পরবর্তী প্রজন্মে ছড়াতে পারে, যা নির্দেশ করে যে এতে করে একজন ব্যাক্তি বাহক থেকে যান।

২।জিন থেরাপি- এটি সফল চিকিৎসা হলেও অত্যন্ত ব্যায়বহুল যা কিনা জনসাধারণের সমর্থনের বাইরে।

‘বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি’ এর মতে দেশে গড়ে ২২বছর বয়সীরা এই রোগে আক্রান্ত হন, যেখানে ঢাকা শিশু হাসপাতালের রিপোর্ট অনুযায়ী পনেরো হাজার শিশু প্রতি বছর জন্মগতভাবেই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত থাকে, এবং দেড় কোটি মানুষ এটা জানেই না যে তারা থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক। এর কারণ হিসেবে বলা যায় যে, এসকল বাহকদের আচরণ ও চলাফেরা সাধারণ মানুষের মতই, এর ফলে এই রোগ ধরা পড়েনা। যদি আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে বিয়ে হয় তবে এটি এই ব্যাধির সংক্রমণের হার বাড়িয়ে দেয়।

এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের একটাই উপায় আছে, তা হলো ‘Hemoglobin Electrophoresis’ টেস্ট করানো, যার ফলে সহজেই জানা যাবে একজন ব্যাক্তি থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত, নাকি তিনি এর বাহক নাকি তিনি আর দশজন মানেষের মতই সুস্থ ও স্বাভাবিক। ঢাকায় ৯টি সহ দেশের প্রায় সকল্ বেসরকারী হাসপাতালে এই টেস্ট করানোর সুযোগ আছ, সুতরাং সতর্ক হলেই এই ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করা যাবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থ্যালাসেমিয়া নিয়ে এখন যথেষ্ট আলোচনা চলছে। সুইডেন, মিডল ইস্টে এই ব্যাধির ছড়িয়ে পড়ার হার আশংকাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সর্বোতকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে সাইপ্রাস এর কথা তুলে ধরা যায়, যেখানে থ্যালাসেমিয়া কেসের সংখ্যা এখন প্রায় শূণ্যের কোঠায় অবস্থান করছে। সাইপ্রাস এই সাফল্য অর্জন করেছে ঐচ্ছিক ও বাধ্যতামূলক স্ক্রিনীং এর মাধ্যমে।

বাংলাদেশে সরকার বর্তমানে এই ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দিয়েছে। ১০ই জানুয়ারী ২০১৮ সালে সরকার ‘National Thalassemia Control & Prevention Campaign’ শুরু করেছে। যার স্লোগান হল, ‘সাল দুই হাজার আটাশে, থ্যালাসেমিয়া থাকবেনা বাংলাদেশে’। বাংলাদেশ সরকার, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বর্তমানে একটি ’11-point action plan’ গ্রহণ করেছে যা কীনা দেশে থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে । আশার কথা এই যে, এই অ্যাকশন প্ল্যানে দেশের গরীব জনগোষ্ঠীর কথা চিন্তা করে কিছু উদ্দ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা করেছে সরকার।

সবশেষে স্যার জানান, ‘ideSHi’ ৮ই মে, বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবসে সতর্কতামূলক ক্যাম্পেইন করার পরিকল্পনা করছে। স্যার সকলকেই আহবান করেন নিজেদের পরিবার, বন্ধু ও সমাজে থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সতর্কতা গড়ে তুলতে এবং থ্যালাসেমিয়া আছে কীনা তা নির্ধারণের জন্য রক্ত পরীক্ষা করতে। এরপর স্যার ১৫ মিনিট ধরে প্রশ্নোত্তর পর্বে উপস্থিত জনতার বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং সমাধানের জন্য সকলকে কাজ করতে উৎসাহ দেন। এরই মাধ্যমে সেমিনারটির সমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য, ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত একটি বিজ্ঞান সংগঠন। সংগঠনটির একটি নিয়মিত কার্যক্রম পাক্ষিক পাঠচক্র আয়োজন করা। এছাড়াও রিসার্চ সেমিনার, পাবলিক লেকচার, ওয়ার্কশপ, সায়েন্স ফেস্টিভাল, প্রকৃতি পাঠ ইত্যাদি নিয়মিত আয়োজন করে থাকে সংগঠনটি। “ধ্রুবক” নামক বিজ্ঞান ম্যাগাজিন সংগঠনটির ষাণ্মাসিক প্রকাশনা। ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি বিশ্বাস করে, বিজ্ঞানই একটি প্রগতিশীল সমাজের চাবিকাঠি। তাই সংগঠনটি সমাজকে বিজ্ঞানের সাথে আরো পরিচিত করে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।

তারিখঃ ১৪/০৩/১৮

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

পাবলিক লেকচারঃ পাই দিবস ও আইনস্টাইনের জন্মদিন

আজ ১৪ মার্চ ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি ‘পাই দিবস’ ও ‘আইনস্টাইনের জন্মদিন’ উপলক্ষ্যে একটি পাবলিক লেকচারের আয়োজন করে।  আর আজ ১৪ মার্চ ২০১৮ সালে আমরা হারালাম বিশিষ্ট পদার্থবিদ স্টিফেন হকিংকে। এর জন্য ডিইউএসএস পরিবার গভীরভাবে শোকাহত। তাই আজ আয়োজিত পাবলিক লেকচারে স্টিফেন হকিংয়ের অবদানগুলোকে স্মরণ করা হয়।

আজ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাজীব আরেফিন স্যার এবং ম্যাক্সপ্ল্যাঙ্ক ইন্সটিটিউটের গবেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. রাকিবুর রহমান স্যার।

পাবলিক লেকচারটি শুরু হয়, স্টিফেন হকিংকে স্মরণ করে ১ মিনিট নিরবতা পালনের মধ্যে দিয়ে।

রাজীব স্যার পাই এর ইতিহাস, কেন ১৪ তারিখ পাই দিবস? পাই কাকে বলে? অমূলদ সংখ্যা, অসীম, পাই কিভাবে আসলো? পাই প্রতীক কেন এরকম ব্যবহার করা হলো? বিজ্ঞানীরা পাই কে নিয়ে এত আগ্রহী কেন?— সেই ব্যাপারগুলো আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন।  আর এর সাথে সংখ্যা তত্ত্ব, জ্যামিতি, তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গসহ মহাবিশ্বের বিভিন্ন ঘটনা ব্যাখ্যায় পাই কেন গুরুত্বপূর্ণ এবং পাই যে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার সাথে সম্পর্কিত সে বিষয়গুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে তার বক্তব্যে তুলে ধরেছেন।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্যায়ে ড. রাকিবুর রহমান স্যার আইনস্টাইনের জীবন ও কাজগুলো— ফোটনের কণা তত্ত্ব(১৯০৫),  অনু-পরমানুর অস্তিত্ব, সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব(১৯১৫) উল্লেখ করেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন ১৯২৪-১৯২৫ সালে বিজ্ঞানী সত্যেন বোস এর সাথে মিলিতভাবে আইনষ্টাইন উদ্ভাবন করেন বোস আইন্সটাইন স্ট্যাটিস্টিক্স এর।

এরপর তার আলোচনায় আসে আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব থেকে কৃষ্ণ গহ্বর তত্ত্ব; আর এই কৃষ্ণ গহ্বর তত্ত্বে অবদান রাখেন পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং। আমরা যে হকিং বিকিরণের  কথা জানি তা স্টিফেন হকিংয়ের অবদান। রাকিবুর রহমান স্যার আরো উল্লেখ করেন কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটির কথা এবং তিনি কোয়ান্টাম গ্র্যাভিটি তত্ত্বের প্রয়োজনীয়তা প্রকট- এই বিষয়টি তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য, ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত একটি বিজ্ঞান সংগঠন। সংগঠনটির একটি নিয়মিত কার্যক্রম পাক্ষিক পাঠচক্র আয়োজন করা। এছাড়াও রিসার্চ সেমিনার, পাবলিক লেকচার, ওয়ার্কশপ, সায়েন্স ফেস্টিভাল, প্রকৃতি পাঠ ইত্যাদি নিয়মিত আয়োজন করে থাকে সংগঠনটি। “ধ্রুবক” নামক বিজ্ঞান ম্যাগাজিন সংগঠনটির ষাণ্মাসিক প্রকাশনা। ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি বিশ্বাস করে, বিজ্ঞানই একটি প্রগতিশীল সমাজের চাবিকাঠি। তাই সংগঠনটি সমাজকে বিজ্ঞানের সাথে আরো পরিচিত করে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।

 

তারিখঃ ০৭/০৩/২০১৮ 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

Public Lecture: Genetically Modified Crops: Necessity & Concerns

আগামী ৮ই মার্চ, বৃহষ্পতিবার, বিকাল ৪টায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগে ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত হতে যাচ্ছে “Public Lecture: Genetically Modified Crops: Necessity & Concerns” শিরোনামের একটি পাবলিক লেকচার। পাবলিক লেকচারটির বক্তা অধ্যাপক ড. আনওয়ারুল আজিম আখন্দ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগে অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আর্সেনিক নিয়ে গবেষণা এবং রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা সংক্রান্ত গবেষণায় তার অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।

জিন প্রকৌশল বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং করে কোন জীবের জিন অন্য কোন জীবের দেহে প্রবেশ করিয়ে সেই জীবের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করা যায়। এভাবে জিনগত বৈশিষ্ট্যের কিছু পরিবর্তনে তৈরি হওয়া ফসলের নাম জেনেটিকালি মডিফাইড ফুড। যার একটা উদহারণ হলো বাংলাদেশের বিটি বেগুন। পাবলিক লেকচারটিতে আলোচনা করা হবে জেনেটিকালি মডিফায়েড ফুড আসলেই স্বাস্থ্যসম্মতকি না, অন্য জীবের জিন প্রবেশ করানোর জন্য খাদ্যে কোন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না। এছাড়া জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর নৈতিক দিকগুলো আলোচিত হবে পাবলিক লেকচারটিতে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্যর জোগানে জেনেটিকালি মোডিফাইড ফুড এর ভূমিকাও আলোচনা করবেন বক্তা।  পাবলিক লেকচারটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

উল্লেখ্য, ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত একটি বিজ্ঞান সংগঠন। সংগঠনটির একটি নিয়মিত কার্যক্রম পাক্ষিক পাঠচক্র আয়োজন করা। এছাড়াও রিসার্চ সেমিনার, পাবলিক লেকচার, ওয়ার্কশপ, সায়েন্স ফেস্টিভাল, প্রকৃতি পাঠ ইত্যাদি নিয়মিত আয়োজন করে থাকে সংগঠনটি। “ধ্রুবক” নামক বিজ্ঞান ম্যাগাজিন সংগঠনটির দ্বিবার্ষিক প্রকাশনা। ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটি বিশ্বাস করে, বিজ্ঞানই একটি প্রগতিশীল সমাজের চাবিকাঠি। তাই সংগঠনটি সমাজকে বিজ্ঞানের সাথে আরো পরিচিত করে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।